মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০ ইং | চৈত্র ১৬, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৪ শাবান, ১৪৪১ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / স্বাস্থ্য বার্তা / আপনার ঘরটি দূষণমুক্ত তো?

আপনার ঘরটি দূষণমুক্ত তো?

শহরাঞ্চলে ইদানীং ধূলোবালি বা দূষণ যে হারে বেড়ে চলেছে তাতে নিজের অজান্তেই ঘরের পরিবেশ ও দূষিত হয়। শত চেষ্টা করলেও তা বন্ধ করা যায় না। তবে কয়েকটা বিষয় খেয়াল রাখলে বাড়ির পরিবেশ দূষণ মুক্ত রাখা সম্ভব। যেমন:

১.ঘর পরিষ্কারে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার পরিহার করুন

ঘর পরিষ্কারের জন্য আমরা প্রায়ই বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করি। আর এসকল রাসায়নিক উপকরণগুলোর গন্ধ নিলে যেন মাথা ঘুরে ওঠে। কারণ এসব পরিষ্কারক তৈরিতে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয় তা সামান্য পরিমাণে শোঁকাও বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। তাই প্রাকৃতিক পরিষ্কারক উপাদান ব্যবহার শুরু করতে হবে। সম্ভব হলে কম মাত্রায় রাসায়নিক উপাদান আছে এমন পরিষ্কারক দ্রব্য ব্যবহার করুন।

২.কার্পেট পরিহার করুন

ধুলাবালি ও বিভিন্ন জীবাণুর আস্তানা প্রতিটি কার্পেট। আর সেখানে দীর্ঘদিন ধরে জমতে থাকে আরও ধুলাবালি। কারণ এটি মেঝের সঙ্গে লেগে থাকে এবং বাইরে থেকে উড়ে আসা ধুলা এসে সেখানেই আটকে থাকে। ফলে তা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে ঘরের বাতাস ও খাবারের উপর। তাই ঘরের মেঝে জুড়ে কার্পেট বা মাদুর ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো। এছাড়া ঘরে যদি ছোট বাচ্চা থাকে তাহলে এই ধূলাবালি এদের ক্ষতি করে সবচেয়ে বেশি। ছোট শিশু ছাড়াও যাদের পরিবারে হাঁপানি বা অ্যাজমার রোগী আছেন তাদের জন্য এই ধূলাবালি মারাত্মক ক্ষতির কারণ। তাই ঘরের মেঝেতে কার্পেট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৩.ঘরে ধূমপান করা বর্জন করুন

দূষিত বাতাসে শ্বাস নেওয়া দিনে ১৫টি সিগারেট পান করার সমতুল্য। তাই যে ঘরে দিনের একটি বড় সময় কাটানো হয় সেখানকার বাতাস সিগারেটের ধোঁয়ায় দূষিত করা একবারেই অনুচিত। বিশেষ করে কাপড়ে ঘেরা অংশগুলোতে। এই কারণে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিতে পড়বে ঘরের প্রতিটি সদস্য। ছোট বাচ্চা এবং বৃদ্ধরা এই ঝুঁকিতে বেশি পড়েন।

৪.এয়ার ফ্রেশনার বা সুগন্ধি মোম পরিহার করুন

ঘরের দুর্গন্ধ দূর করতে যে এয়ার ফ্রেশনার ও সুগন্ধি মোম ব্যবহার করা হয় সেটাও মানুষের জন্য ক্ষতিকর। একদিকে অ্যারোসল এবং এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহারও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই এসব ব্যবহারে সতর্ক হোন।

৫.ধুলা ঝাড়তে সাবধান

ঘরের ধুলাবালি ঝাড়ু দেওয়ার মাধ্যমেও বায়ুদূষণ হতে পারে। কারণ ঝাড়ু দেওয়ার মাধ্যমে বাতাসের দূষিত উপাদানের বেশিরভাগই ঘর থেকে বের হয়না বরং মেঝেতে পড়ে থাকা সেই উপাদানগুলো আবার বাতাসে মেশে। ফলে তা ঘরের বাসিন্দাদের শ্বাসতন্ত্রে যাওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়ে। এছাড়া যে ঝাড়ু দিচ্ছেন তার ক্ষতি হয় সবচেয়ে বেশি। তাই ঘর ঝাড়ু দেবার সময় কিংবা ঘরের আসবাবপত্র মোছার সময় অবশ্যই মুখে মাস্ক পরিধান করুন।

আরও পড়ুন রূপচর্চায় দারুচিনি

আরও পড়ুন

বাজারের ৫ কোম্পানির পানি পানের উপযোগী নয়ঃ বিএসটিআই

২১ জানুয়ারি ২০১৯

বাজারের ৫ কোম্পানির বোতল ও জারের পানি মানহীন ও পান... বিস্তারিত এখানে

শীতে ঘাড় ব্যথা

১৭ জানুয়ারি ২০১৯

শীতে সর্দি, জ্বর একটি সাধারণ সমস্যা। সর্দি এবং ফ্লু ভাইরাস... বিস্তারিত এখানে