বুধবার, অগাস্ট ৫, ২০২০ ইং | শ্রাবণ ২০, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৩ জ্বিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / স্বাস্থ্য বার্তা / কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে করণীয়

কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে করণীয়

মানবদেহে কয়েকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রয়েছে। তার মধ্যে কিডনি বা বৃক্ক অন্যতম। এটি আমাদের শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্য পরিশোধিত করে। তবে কিডনিতে নানান ধরণের সমস্যাই হতে পারে। এর নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সেখানে পাথর জমা। উপযুক্ত চিকিৎসা না করালে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তবে এ সমস্যা আমরা চাইলেই এড়িয়ে চলতে পারি খুব সহজেই। কিছু জিনিষ নিয়মিত মেনে চললেই এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। চলুন আজ জেনে নেই, কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করে আমরা কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধ করতে পারবো-

১. খাবারের স্বাদের জন্য লবণ অপরিহার্য। কিন্তু কাঁচা লবণ মানব শরীরের জন্য চিন্তার কারণ। অনেকেই খাবারের সঙ্গে আলাদা করে কাঁচা লবণ খেয়ে থাকেন, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। লবণের সোডিয়াম কিডনিতে লাগলে তা সহজে দূর হয় না। আর তা জমতে জমতে পাথরে রূপ নেয়। তাই কাঁচা লবণ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে রান্নার সময় তরকারিতে লবণের পরিমাণ একটু বেশিই দিন।

২. কিডনির কাজ হচ্ছে শরীরের বর্জ্য দূর করা এবং এর ফলে শরীরকে টক্সিনমুক্ত করা। পানির সাহাজ্যে শরীরর থেকে টক্সিন দূর করে কিডনি। পরিমিত পানি পানে কিডনি ভালো থাকে। অন্যথায়, কিডনি সঠিক ভাবে শরীরের বর্জ্য দূর করতে পারে না। আর ওই বর্জ্য কিডনিতে জমে পাথরে রূপ নেয়। তাই পরিমিত পানি পান করে কিডনিকে সুস্থ রাখুন, আপনিও সুস্থ থাকুন। তবে অতিরিক্ত পানি পানও কখনো কখনো কিডনীর জন্য ক্ষতির কারণ। তাই
প্রতিদিন অবশ্যই অন্তত ৭-৮ গ্লাস (২-৩ লিটার) পানি পান করা উচিৎ।

৩. আমাদের মধ্যে অনেকেরই বিশেষ করে মেয়েদের এই বদঅভ্যাসটি লক্ষ্য করা যায়। তা হলো, প্রস্রাব চেপে রাখা। যা কখনই ঠিক নয়। প্রস্রাবের লৌহ কনিকা কিডনিতে পাথর জমাতে পারে। তাই যখনই প্রস্রাব চাপবে তখনই করে ফেলুন।

৪. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ, বিশেষ করে ব্যথানাশক (পেইনকিলার) ওষুধ বা কোনো অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। এতে কিডনির মারাত্মক ক্ষতিসাধন হতে পারে।

৫. নিয়মিত ডায়বেটিস ও ব্লাড প্রেশার পরীক্ষা করান। আপনার বয়স চল্লিশ হলে এটা জরুরী। নিয়ম মেনে নিয়ন্ত্রনে রাখুন।

৬. বছরে অন্তত একবার প্রসাবের মাইক্রো-এলবুমিন পরীক্ষা করান। এবং প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা যেকোনো সমস্যায় চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

আরও পড়ুন কিছু সেরা বই

আরও পড়ুন

গ্যাস্ট্রিক থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার সহজ উপায়

০৪ অগাস্ট ২০২০

সাধারণত আমরা তিনবেলা খাবার খেয়ে থাকি। দুইবেলা খাবারের মাঝে বিরতির... বিস্তারিত এখানে

কোরবানিতে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে যে নিয়মগুলো মেনে চলবেন-

৩১ জুলাই ২০২০

কোরবানিতে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে চাইলে এই ১০ টা নিয়ম... বিস্তারিত এখানে