বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২, ২০২০ ইং | চৈত্র ১৮, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৬ শাবান, ১৪৪১ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / অর্থ ও বাণিজ্য / চিকিৎসকদের আয়কর বিবরণী তৈরির হিসাব

চিকিৎসকদের আয়কর বিবরণী তৈরির হিসাব

সমাজের অন্যান্য পেশাজীবীদের তুলনায় চিকিৎসকদের আয়ের উৎস ভিন্ন। কেউ চাকরি করেন, কেউ চাকরির পাশাপাশি চেম্বারে কিংবা অন্য কোথাও রোগী দেখেন, কেউ আবার প্রাইভেট প্র‍্যাকটিস করেন। আবার কাউকে দেখা যায় একই সাথে সবগুলাই করেন। তাই তাদের আয়কর বিবরণী তৈরির পন্থা অন্যদের থেকে একটু ভিন্ন।

যদিও গত ১৯ নভেম্বর আয়কর মেলা শেষ, তবে ৩০ নভেম্বর আপনার টিন–এ উল্লেখিত সার্কেলে রিটার্ন জমা দেয়া যাবে। তবে এর আগে একজন চিকিৎসক কীভাবে তার আয় এবং কর গণনা করবেন সে ব্যাপারে জানোতে হবে।

এক্ষেত্রে একজন চিকিৎসক যদি চাকরি করেন তাহলে একজন চাকরিজীবী যেভাবে আয় গণনা করেন সেভাবেই তার করযোগ্য আয় বের করতে হবে। তবে একজন চিকিৎসক চাকরির পাশাপাশি বাইরে রোগী দেখে থাকেন। সেখান থেকেও তার ভালো অংকের আয় হয়।
তাছাড়া প্রাইভেট প্র্যাকটিস করে থাকলে আয় গণনার ক্ষেত্রে-

সবার আগে বেতন হিসেবে যেটা পাচ্ছেন তা থেকে করযোগ্য আয় বের করতে হবে। বেতন খাতে আয় থেকে করযোগ্য আয় বের করার সময় বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত ভাতা ইত্যাদি খাতে যে ছাড় রয়েছে তা যথাযথভাবে বাদ দিয়ে বেতন খাতে করযোগ্য আয় বের করতে হবে। আর তারপর প্রাইভেট প্র্যাকটিস থেকে যে আয় হয় তা থেকে করযোগ্য আয় বের করবেন।

অন্যদিকে আয়কর আইন অনুযায়ী, একজন চিকিৎসককে তার আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করতে হয়। কীভাবে তিনি তার হিসেব রাখবেন তা ছক কেটে টেবিল উল্লেখ রয়েছে আয়কর আইনে।

এক্ষেত্রে চিকিৎসক প্রতিদিন যে রোগী দেখেন তার একটি রেজিস্টার রাখতে হয়, যেটা কেইস রেজিস্টার নামে পরিচিত। সেখানে রোগীর নাম, কী ধরনের সেবা দেওয়া হয়েছে এবং সেজন্য রোগীর কাছ থেকে ফি কত নেওয়া হয়েছে তা লিপিবদ্ধ রাখতে হয়। এরপর, আরেকটি খাতা রাখতে হয় যেখানে খরচের হিসাবগুলো থাকে। এখানে খরচের বিবরণ লিখে নগদে টাকা পরিশোধ করে থাকলে নগদের ঘরে অথবা চেকে পরিশোধ করলে চেকয়ের ঘরে লিখবেন।

এই পদ্ধতিতে একজন চিকিৎসকের আয় ও ব্যয় দুটি খাতায় লিপিবদ্ধ করে বছর শেষে মোট আয় থেকে ব্যয় বাদ দিয়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস থেকে করযোগ্য আয় বের করতে পারবেন।

যারা হিসাব রাখেন না তারা কী করবেন?
এক্ষেত্রে প্রাইভেট প্র্যাকটিস থেকে যে আয় হয়েছে তার এক-তৃতীয়াংশ আনুমানিক খরচ বিবেচনা করে করযোগ্য আয় বের করার পন্থা উল্লেখ আছে। তাই খরচের হিসাব রাখা ঝামেলার মনে হলে বা কোনো কারণে রাখা সম্ভব না হলে, মোট আয় থেকে এক-তৃতীয়াংশ বাদ দিয়ে করযোগ্য আয় বের করতে হবে। এবং চাকরি ও প্রাইভেট প্র্যাকটিস- এই দুই খাতের করযোগ্য আয় যোগ করে মোট করযোগ্য আয় বের করতে হবে। তা থেকে কর রেয়াত এবং যদি কোথাও উৎসে কর দিয়ে থাকেন তাহলে সেগুলো বাদ দিয়ে নীট কর বের করতে হবে।

এরপর নীট কর দায় যখন রিটার্ন দাখিল করবেন তখন দরকারী কাগজপত্রের সঙ্গে পে অর্ডার/ চালান অথবা চেক দিয়ে জমা দিলেই চিকিৎসকের আয়কর রিটার্ন দাখিল হবে।
আরও পড়ুন আ.লীগ থেকে মনোনয়ন পেলেন যারা

আরও পড়ুন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ

২৬ মার্চ ২০২০

আজ ২৬ মার্চ। মহান স্বাধীনতা দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে ঐতিহাসিক... বিস্তারিত এখানে

দেশে আরও এক নারী, দুই শিশুর করোনা শনাক্ত

১৬ মার্চ ২০২০

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত... বিস্তারিত এখানে