সোমবার, মার্চ ২৫, ২০১৯ ইং | চৈত্র ১১, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৬ রজব, ১৪৪০ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / অর্থ ও বাণিজ্য / টাকার মান কমছে

টাকার মান কমছে

দিন দিন দেশের টাকার মান কমছে। গত ১০ বছরে ডলারের তুলনায় টাকার মান কমেছে প্রায় ২১ শতাংশ।

অর্থাৎ ১০ বছর আগে যে জিনিস কেনা যেত ১০০ টাকায়, বর্তমানে তা কিনতে হচ্ছে ১২১ টাকায়। এটি সরকারি হিসাবের তথ্য।

আর বেসরকারি হিসাবে এই সময়ে টাকার মূল্যমান আরও বেশি অর্থাৎ ২৫ শতাংশ কমেছে। আর, এর প্রভাবে লেনদেনের ভারসাম্য এবং চলতি হিসাব নেতিবাচক হয়ে পড়েছে। কমে গেছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুদ্রা বিনিময় হারের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে এ তথ্য মিলেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতি ডলারের বিনিময়ে পাওয়া যেত ৬৯ টাকা। আর এ বছরের ফেব্রুয়ারিজুড়ে প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ৮৪ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল রোববার প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৮৪ টাকা ১২ পয়সা দরে। এই হার এক বছর আগের তুলনায় ১ টাকা ২২ পয়সা বেশি। অথচ দুই বছর আগেও ২০১৭ সালের শুরুর দিকে প্রতি ডলারের মূল্যমান ছিল ৭৯ টাকা ৭৫ পয়সা।

তবে ব্যাংকের বাইরে প্রতি ডলার ৮৬ টাকারও বেশি দরে বিক্রি হয়েছে গতকাল। বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৫৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে এবং তিন দফা ডলারের দাম বাড়িয়েছে।

বাংলাদেশে ডলার ও টাকার বিনিময় হার স্বাধীনতার পর থেকে সরকার নির্ধারণ করে দিত। টাকাকে রূপান্তরযোগ্য ঘোষণা করা হয় ১৯৯৪ সালের ২৪ মার্চ। আর ২০০৩ সালে এই বিনিময় হারকে করা হয় ফ্লোটিং বা ভাসমান। এর পর থেকে আর ঘোষণা দিয়ে টাকার অবমূল্যায়ন বা পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না। তবে বিনিময় হার ভাসমান হলেও পুরোপুরি তা বাজারভিত্তিক থাকেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব সময়ই এতে পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ রেখে আসছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যাপারে অনুসরণ করে আসছে ‘ম্যানেজড ফ্লোটিং রেট’ নীতি।

আরও পড়ুন

সুখের মাপকাঠিতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ

২১ মার্চ ২০১৯

বিশ্ব সুখী দিবসকে সামনে রেখে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক... বিস্তারিত এখানে

সাড়ে ৩ লাখ আইফোন বন্ধ করেছে ইরান

১৮ মার্চ ২০১৯

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ হাজার... বিস্তারিত এখানে