রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০ ইং | চৈত্র ১৫, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২ শাবান, ১৪৪১ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / স্বাস্থ্য বার্তা / ডায়াবেটিস এর ঝুঁকি কমায় যেসব খাবার

ডায়াবেটিস এর ঝুঁকি কমায় যেসব খাবার

ডায়াবেটিস যাকে বাংলায় বহুমূত্র রোগও বলা হয়ে থাকে। আমরা প্রায় সকলেই জানি এটি এমন একটি রোগ যা একবার হয়ে গেলে তা হয়ে যায় সারা জীবনের সঙ্গী। শিশু থেকে বৃদ্ধ, যে কোনো বয়সের মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এই রোগ সারানোর ওষুধ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। তবে কিছু নিয়মকানুন মেনে চললেই একে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এ জন্য খাবারদাবারে রাশ টানা অন্যতম উপায়। এছাড়াও দৈনন্দিন কিছু ব্যায়াম, হাটাঁচলা করা এসবের মাধ্যমেও একে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে মিষ্টি, লবণ ও চর্বিজাতীয় খাবার কম করে খাওয়ার অভ্যাস গড়তে হবে। বেছে নিতে হবে চিনিমুক্ত খাবার। এছাড়াও চিকিৎসকগণ আরও কিছু পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পরামর্শগুলো হলো:

১. তাজা সবজি ও ফল খেতে হবে বেশি করে। তাই বলে ফলের জুস খেতে যাবেন না যেন! তার চেয়ে বরং ফল চিবিয়ে খান। চিবিয়ে খেলে ফলে থাকা কার্বোহাইড্রেট রক্তের সঙ্গে মেশে সহজে। এ ছাড়া চিবিয়ে খেলে দাঁত ও মুখের পেশিও কাজ করার সুযোগ পায়। এমন প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ফলের যে রস শরীর পায়, সেটি সহজে পরিপাক হয়। তাই যেকোনো ফল খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন। যেকোনো মৌসুমি ফল যখন যা পাওয়া যায় তা খাবার চেষ্টা করবেন।

২. কম চর্বিযুক্ত দই খাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে টকদই। শিশুদের জন্য দই খুবই উপকারী। এই দুগ্ধজাত বস্তুতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। হাড় ও দাঁতের জন্য ক্যালসিয়াম খুবই উপকারী। মিষ্টি দইয়ের চেয়ে টকদই শরীরের জন্য বেশি উপকারী।

৩. বেশি ভাজাপোড়া বা বেশি চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। লবণ বুঝে খেতে হবে। যত কম খাওয়া যায়, ততই মঙ্গল। ভাতের সাথে অতিরিক্ত লবণ নেয়া একেবারেই বন্ধ করুন। এটি শুধু ডায়াবেটিস না, আরও অনেক রোগেরও কারণ।

৪. চিনিযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে। জুস ও স্মুদিতে প্রচুর চিনি ও ক্যালরি থাকে। তাই কতটুকু খাচ্ছেন, তার হিসাব রাখতে হবে। মাত্রাতিরিক্ত হলেই বিপদ। অনেকে অতিরিক্ত গরমে প্রচুর কোক বা ফানটা জাতীয় পানীয় খেয়ে থাকেন। এটা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

৫. একটি বা দুটি সেদ্ধ ডিম খাওয়া যেতেই পারে। একটি বড় ডিমে থাকে প্রায় ৬ গ্রাম আমিষ। ডায়েটে ভিটামিন ডি যোগ করার জন্য ডিম বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে দিনে একটির বেশি ডিম না খাওয়াই ভালো অথবা খেলেও কুসুম খাওয়া পরিহার করুন।

৬. খাবার খেতে হবে ক্যালরি মেপে। কতটুকু খাবারে কতটুকু ক্যালরি ঢুকছে শরীরে, তা মাথায় রাখতে হবে। বুঝেশুনে খেলেই আর বিপদের সম্ভাবনা নেই। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবার যোগ করুন। রুটিন তৈরি করে তা মেনে খাবার খান।

৭.কায়িক পরিশ্রম করার চেষ্টা করুন। হালকা ব্যায়াম করুন। ঘরের ছোটখাটো কাজ নিজেই করে নিন।

আরও পড়ুন ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি কি?

আরও পড়ুন

বাজারের ৫ কোম্পানির পানি পানের উপযোগী নয়ঃ বিএসটিআই

২১ জানুয়ারি ২০১৯

বাজারের ৫ কোম্পানির বোতল ও জারের পানি মানহীন ও পান... বিস্তারিত এখানে

শীতে ঘাড় ব্যথা

১৭ জানুয়ারি ২০১৯

শীতে সর্দি, জ্বর একটি সাধারণ সমস্যা। সর্দি এবং ফ্লু ভাইরাস... বিস্তারিত এখানে