মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১ ইং | ফাল্গুন ১৮, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৬ রজব, ১৪৪২ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / সংবাদ / জাতীয় / দেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

দেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো বাংলাদেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ। আমরা সেই লক্ষ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সে কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তদের জন্য গড়ে তোলা বিশ্বের সর্ববৃহৎ আশ্রয়ন প্রকল্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খুরুশকুল আশ্রায়ণ প্রকল্পের প্রথম ধাপে নির্মিত ২০টি ভবনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রথম ধাপে উদ্বোধন হওয়া ভবনগুলোতে ফ্ল্যাট পেয়েছেন ৬০০টি পরিবার। ১০০১ টাকা নামমাত্র মূল্যে এসব ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে ৬শ’ জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারের জন্য দরজা খুললো বহুল প্রতিক্ষিত স্থায়ী আবাসের।

একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ ঘোষণা বাস্তবায়নেরই অংশ এ আশ্রয়ণ প্রকল্প। এটি ছাড়াও গৃহহীনদের ঘর তৈরি করে দিতে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম রয়েছে। গৃহহীন ও ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসনের জন্য ১৯৯৭ সালে ‘আশ্রয়ণ’ নামে প্রথম প্রকল্প গ্রহণ করেন তৎকালীন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ফ্ল্যাটের সম্ভাব্য তালিকাভুক্ত গ্রহীতা ও শুঁটকি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আতিক উল্লাহ জানান, ‘১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর থেকে আমাদের কোথাও আশ্রয় মেলেনি। এখানে-ওখানে জীবন অতিবাহিত হয়েছে আমাদের। ঘরহারা, বাড়িহারা হয়ে কক্সবাজার শহরে আসা কুতুবদিয়াপাড়ার মানুষ আজ অনেক খুশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ আমাদের স্থায়ী বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।’

আরেক উপকারভোগী আবু তাহের কুতুবী জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই অবদান ভুলবার মত নয়। আজ আমরা স্বয়ং-সম্পূর্ণ একটি থাকার ঘর পেয়েছি। বাস্তুহারা মানুষ গুলোর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়েছে। দীর্ঘদিন পর হলেও একটি স্থায়ী ঠিকানা হওয়ায় আমরা গর্বিত। আমরা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করছি’।

উল্লেখ্য, দেশে এটিই প্রথম সর্ববৃহৎ এবং সর্বাধিক বাজেটের আশ্রয়ণ প্রকল্প। প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে প্রায় ২৫৩ দশমিক ৩৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পে ১৩৯টি ৫ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। যার মধ্যে শেখ হাসিনা টাওয়ার নামে একটি ১০ তলা বিশিষ্ট সুউচ্চ ভবনও থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ২০১৭ সালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়।

আরও পড়ুন

জুভেন্টাসের কোচ হচ্ছেন আন্দ্রে পিরলো

৩১ জুলাই ২০২০

জুভেন্টাস অনূর্ধ্ব ২৩ দলের কোচ নির্বাচিত হয়েছেন আন্দ্রেয়া পিরলো। এখনো... বিস্তারিত এখানে

ব্রাজিলের ফার্স্ট লেডিও করোনায় আক্রান্ত

৩১ জুলাই ২০২০

সদ্য কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো। চিকিত্‍‌সা... বিস্তারিত এখানে