সোমবার, অগাস্ট ৩, ২০২০ ইং | শ্রাবণ ১৯, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১১ জ্বিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / স্বাস্থ্য বার্তা / ধূমপান ছাড়াও ক্যান্সার হয় যে কারণে

ধূমপান ছাড়াও ক্যান্সার হয় যে কারণে

মূলত ধূমপায়ীদেরই ফুসফুসে ক্যান্সার হয় বলে ধারণা আমাদের সকলের। কিন্তু ধূমপান না করলেও ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার বড় ঝুঁকি থেকেই যায়। আধুনিক জীবনযাত্রা ও পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাসে আমাদের চার পাশে যে সব অসুখের প্রকোপ সবচেয়ে বেড়েছে, তার মধ্যে ক্যান্সার প্রধান। গোটা বিশ্বেই ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যার মধ্যে ফুসফুস ক্যান্সার অন্যতম।

ফুসফুস ক্যান্সারের কথা শুনলেই আমরা ধরে নিই, আক্রান্ত ব্যাক্তি ধূমপায়ী ছিলেন। অথচ ধূমপানের বাইরে নানা কারণেও ফুসফুসে জমতে পারে ক্যন্সারের বীজ। চলুন জেনে নেই কিভাবে ধূমপান ছাড়াও আপনি কিভাবে আক্রান্ত হতে পারেন এই মারণব্যাধিতে-

১)পরোক্ষ ধূমপান- কাছের কেউ ধূমপায়ী হলে এই সম্ভাবনা খুব বাড়ে। নিজে ধূমপান না করলেও তামাকের ধোঁয়ার চারপাশে থাকলেও এর সমপরিমাণ প্রভাব আপনার উপর পড়বে। তাই নিকটজনদেরও ধূমপান থেকে বিরত রাখুন। ধূমপানের থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি ধূমপায়ীর থেকেও দূরে থাকুন।

২)বংশগত কারণ: পরিবারে কারও ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে সচেতন হন। বয়স পঞ্চাশ পেরলেই নিয়মিত চেক আপ করান। জেনেটিক মিউটেশনের কারণে কোনও দিন ধূমপান করেননি এমন মানুষও আক্রান্ত হতে পারেন এই ফুসফুসের ক্যান্সারে।

৩)দূষণ: আধুনিক জীবনে ক্যান্সারের মতো মারণরোগের অন্যতম কারণ এই দূষণ। যানবাহন ও কলকারখানার ধোঁয়ায় থাকা নানা ক্ষতিকারক মৌল— অ্যাসবেসটস, নিকেল, ক্রোমিয়াম, আর্সেনিক এই ধরনের অসুখের জন্য দায়ী। এ ছাড়া ধোঁয়ার কার্বন মনো অক্সাইড, ওজোন গ্যাস, কার্বন ডাই অক্সাইড ইত্যাদিও শ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে ক্যান্সার ডেকে আনে। তাই যাঁরা দৈনিক রাস্তাঘাটে গাড়ির ধোঁয়ার মধ্যে চলাফেরা করেন, তাঁদের ক্ষেত্রেই এই ঝুঁকি অনেকটা বেশি।

৩)পেশাগত কারণ: গ্যাস বা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে হয় এমন মানুষের ফুসফুসে ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ট্যানারির কিছু বিশেষ বিভাগের কাজ, আকরিকের খনিতে কাজ, ইটভাটা, ড্রাইভিং, কারখানায় কাজ বা দীর্ঘ ক্ষণ চুলোর ধোঁয়ার সামনে দাঁড়িয়ে কাজ করেন এমন মানুষদের এই অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই এমন পেশার সঙ্গে একান্তই যুক্ত থাকতে হলে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, চেক আপ করান ও মাস্কসহ প্রয়োজনীয় সব উপকরণ ব্যাবহার করুন।

এছাড়া ক্যান্সারে ধরা পরার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা আরম্ভ করতে হবে। কারণ ফুসফুসের ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে রোগীকে বাঁচানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন ছোঁয়াচে নয় সোরিয়াসিস

আরও পড়ুন

কোরবানিতে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে যে নিয়মগুলো মেনে চলবেন-

৩১ জুলাই ২০২০

কোরবানিতে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে চাইলে এই ১০ টা নিয়ম... বিস্তারিত এখানে

আলুর রসের উপকারিতা

২৫ জুলাই ২০২০

আলু আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খাদ্য তালিকায় একটা অংশ। সবজি হিসেবে... বিস্তারিত এখানে