সোমবার, অগাস্ট ৩, ২০২০ ইং | শ্রাবণ ১৯, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১১ জ্বিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / স্বাস্থ্য বার্তা / নেফ্রোটিক সিনড্রোম কি?

নেফ্রোটিক সিনড্রোম কি?

প্রায়ই শিশুদেরকে নানা ধরণের কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত হতে দেখা যায়। শিশুদের কিডনি রোগ একেবারেই বিরল নয়। শিশুদের কিডনি জটিলতার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় নেফ্রোটিক সিনড্রোম।

নেফ্রোটিক সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুর প্রস্রাবে অত্যধিক পরিমাণে প্রোটিন বেরিয়ে যায়, ফলে রক্তে এলবুমিনের পরিমাণ কমে যায়। রক্তে চর্বির মাত্রাও বেড়ে যায়। অবশেষে সারা শরীর ফুলে যায়। সসাধারণত ২-৫ বছর বয়সের শিশুদের সাধারণত এই রোগ হতে দেখা যায়। তবে মেয়ে শিশুদের তুলনায় ছেলে শিশুদের মধ্যে এই রোগ তুলনামূলক কিছুটা বেশি।

লক্ষণসমূহ-
২-৫ বছর বয়সের শিশুদের সাধারণত এই রোগ হতে দেখা যায়। প্রথম দিকে দুচোখের পাতা ফুলে যাওয়া, মুখে ফোলা ভাব দেখা যায়। এবং ২-৩ দিনের মধ্যে পেটে, হাতে, পায়ে পানি আসে ও সারা শরীর ফুলে যায়। এছাড়া প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়, তবে রং সাধারণত স্বাভাবিক থাকে।

চিকিৎসা:
১) প্রথম দু-এক সপ্তাহ পূর্ণ বিশ্রাম। স্বাভাবিক খাবার খাবে। তবে খাবারে অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার দেয়া যাবেনা।

২) যেকোনো জটিলতা যেমন পেটে বেশি পানি জমলে তা বের করা বা বুকে পানি জমলে তার জন্য ইনজেকশন দিতে হবে।

৩) কোনো সংক্রমণ থাকলে তার চিকিৎসা করাতে হবে।

৪) শিশুদের নেফ্রোটিক সিনড্রোমের চিকিৎসায় স্টেরয়েড খুব কার্যকর ওষুধ, তবে তা অবশ্যই সঠিক ডোজ ও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়। অবশ্যই শিশুবিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

তবে নেফ্রোটিক সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুরোগীদের প্রায় ৯৩ শতাংশ পুরোপুরি সেরে যায়। কিন্তু চিকিৎসার পরও ঘন ঘন শরীর ফোলা দেখা যেতে পারে। পরে ১৪-১৫ বছরের মধ্যে অনেকাংশেই ঠিক হয়ে যায়।

আপনার দেহে ভিটামিনের ঘাটতি নেই তো?

আরও পড়ুন

কোরবানিতে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে যে নিয়মগুলো মেনে চলবেন-

৩১ জুলাই ২০২০

কোরবানিতে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে চাইলে এই ১০ টা নিয়ম... বিস্তারিত এখানে

আলুর রসের উপকারিতা

২৫ জুলাই ২০২০

আলু আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খাদ্য তালিকায় একটা অংশ। সবজি হিসেবে... বিস্তারিত এখানে