সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ ইং | আশ্বিন ৫, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১ সফর, ১৪৪২ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / শিক্ষাঙ্গন / প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় সবার শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলবে

প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় সবার শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলবে

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে গেলে আগামী সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরইমধ্যে নানা ধরনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতিতে সেপ্টেম্বরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। ওদিকে সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসছে। অবস্থাদৃষ্টে বলা যায়, সব খাতের প্রতিষ্ঠানের পরই খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দরজা।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে সবার আগে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ করা হয় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কয়েক দফা বাড়িয়ে সেই ছুটি আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে এই সময়ের পরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে চলতি বছরের মধ্যেই সিলেবাস কমিয়ে শিক্ষাবর্ষ শেষ করা হবে। তা সম্ভব না হলে চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হবে। তবে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হতে পারে। এরপর উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক এবং সবার শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা হবে।

এদিকে দীর্ঘ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় যেন ব্যাঘাত না ঘটে সে জন্য টেলিভিশনে পাঠদান, অনলাইনে ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির বিষয়ভিত্তিক শ্রেণি কার্যক্রম (ক্লাস) বাংলাদেশ বেতারসহ কমিউনিটি রেডিওতে সম্প্রচার শুরু হবে।

শহরাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ক্লাস করতে পারলেও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে। এতে শিক্ষায় বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। সব মিলে করোনার প্রাদুর্ভাবে দেশের পাঁচ কোটি শিক্ষার্থীই নানাভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘বাচ্চাদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে।

দেশের প্রায় সবকিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভিন্নভাবে দেখা হচ্ছে। কারণ অভিভাবকরা সন্তানের স্বাস্থ্য নিয়ে বেশি চিন্তিত। করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত তারা সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে অনিচ্ছুক।

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনার কারণে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশে দেরি হয়। আটকে ছিল একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিও। তবে আগামী ৯ আগস্ট থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। তবে গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও তা এখনো আটকে আছে। কবে হবে জানা নেই কারোর। এতে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন ১২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

করোনামুক্ত হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম

২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম করোনাভাইরাস থেকে আরোগ্য লাভ করেছেন। বর্তমানে... বিস্তারিত এখানে

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জন টার্নারের মৃত্যু

২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জন টার্নার ১৯৮০ এর দশকে মাত্র ১১... বিস্তারিত এখানে