সোমবার, মার্চ ২৫, ২০১৯ ইং | চৈত্র ১১, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৬ রজব, ১৪৪০ হিজরি

বার্তাপ্রতিক্ষণ / অর্থ ও বাণিজ্য / শিগগিরই মালয়েশিয়ায় নতুন পদ্ধতিতে কর্মী যাবে

মালয়েশিয়ায়

শিগগিরই মালয়েশিয়ায় নতুন পদ্ধতিতে কর্মী যাবে

চলতি মাসেই সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে কর্মী যাবেন মালয়েশিয়ায়। শিগগিরই এ পদ্ধতিতে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারে দেশটি, যা স্বল্প ব্যয়ে অভিবাসনের সুযোগ উন্মোচন করবে। সেক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগীদের কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের একাধিক বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্তে এসেছে মালয়েশিয়া।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই ‘নতুন অনলাইন পদ্ধতি’তে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়ার প্রক্রিয়া শুরুর আভাস দিয়েছে মালয়েশিয়া। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের কর্মকর্তারা এবার অল্প অভিবাসন ব্যয়ে কর্মী নিয়োগের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। এছাড়া সব রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানো নিশ্চিত করা, এজেন্সিগুলোর মানসম্পন্ন ট্রেনিং সেন্টার থাকা ছাড়াও শ্রমিক সংক্রান্ত অন্য বিষয়গুলো নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত করেছে উভয় পক্ষ।

জানা গেছে, কোনো সিন্ডিকেট নয়, এখন থেকে জনশক্তি প্রেরণে লাইসেন্সধারী সব রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাবে। তবে পুরো প্রক্রিয়া যাতে স্বচ্ছ হয়, সেদিকটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে সরকার।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে বলেন, এবার মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে কোনো সিন্ডিকেট থাকবে না। মালয়েশিয়া সরকার একটি স্বচ্ছ সিস্টেম চাচ্ছে, আমরাও সেটি চাচ্ছি। তাড়াহুড়া না করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য দুই পক্ষই কাজ করছে।

তিনি বলেন, জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় সব প্রক্রিয়া শেষেও যেসব শ্রমিক মালয়েশিয়া যেতে পারেননি, তারা নতুন পদ্ধতির আওতায় যেতে পারবেন। তবে এজন্য তাদের আবার নতুন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেতে হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি নিষ্পত্তি করবে।

জানা গেছে, জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে ১০ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কাজের অনুমতি পেয়েছিল বাংলাদেশ। বর্তমানে তাদের মাধ্যমে আবেদন করা প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক দেশটিতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। কিন্তু এ পদ্ধতিতে দেশটিতে প্রবেশের শেষ সময় ছিল ৩১ ডিসেম্বর। বেঁধে দেয়া সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় এসব কর্মীকে পাঠানো সম্ভব হয়নি। ফলে বাতিল হয়ে গেছে এসব শ্রমিকের চাহিদাপত্র। অপেক্ষমাণ এসব শ্রমিককে মালয়েশিয়ায় যেতে হলে পুনরায় নতুন পদ্ধতিতে যেতে হবে।

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সঙ্গে জড়িত এ সিন্ডিকেটের ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি হলো ইউনিক ইস্টার্ন প্রাইভেট লিমিটেড, ক্যারিয়ার ওভারসিজ, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনাল, এইচএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স, সানজারি ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল, প্যাসেজ অ্যাসোসিয়েটস, আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, প্রান্তিক ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম ও আল ইসলাম ওভারসিজ।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে জিটুজি পদ্ধতিতে কর্মী পাঠাতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে ১০টি বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিকে জিটুজি প্লাসের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাদের মাধ্যমে ২০১৭ সালে ৯৯ হাজার ৭৮৭ জন বাংলাদেশী শ্রমিক মালয়েশিয়া যান। আর ২০১৮ সালের আগস্ট পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ হাজার ৮১৯ জন শ্রমিক পাঠিয়েছে এ ১০ রিক্রুটিং এজেন্সি।

আরও পড়ুন

টাকার মান কমছে

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

দিন দিন দেশের টাকার মান কমছে। গত ১০ বছরে ডলারের... বিস্তারিত এখানে

১২৪ কোটি টাকায় রাশিয়া থেকে কেনা হবে ৫০ হাজার টন গম

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

টন প্রতি ২৯৪ দশমিক ৯৫ ডলার দামে রাশিয়া থেকে ৫০... বিস্তারিত এখানে